একই গাছে একসাথে ফলে লাল, হলুদ, কমলা, বেগুনি ও সবুজ রঙের মরিচ — দেখতে যেমন নজরকাড়া, স্বাদে তেমনি ঝাল ও তাজা। ছাদ, বারান্দা বা টবে সহজেই বেড়ে ওঠে, শোভা বাড়ায় আর রান্নার কাজেও লাগে।
শোভাবর্ধনকারী ও ভোজ্য — দুই গুণেই সমৃদ্ধ এই মরিচ গাছ যেকোনো বাগানকে করে তোলে রঙিন ও প্রাণবন্ত।
লাল, হলুদ, কমলা, বেগুনি ও সবুজ — একই গাছে ধাপে ধাপে রঙ বদলে ফলে এই মরিচ, দেখতে অসাধারণ।
বাগানের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি রান্নায় ঝাল ও স্বাদ যোগ করতে ব্যবহার করা যায়।
কম জায়গায়ও ভালোভাবে বেড়ে ওঠে, তাই ছোট টব বা ছাদ বাগানের জন্য এটি চমৎকার পছন্দ।
বপনের পর অল্প সময়েই ফুল-ফল আসা শুরু হয় এবং গাছটি দীর্ঘদিন ধরে ফলন দিতে থাকে।
নিচের ছবিগুলোতে দেখুন প্রকৃত ফলাফল — একই গাছে ধাপে ধাপে রঙ বদলানো মরিচ।
প্যাকেটের সাথে থাকছে সহজ গাইডলাইন — অভিজ্ঞতা ছাড়াই যে কেউ পারবে।
এমন জায়গায় টব বা মাটি প্রস্তুত করুন যেখানে দিনে অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা সরাসরি রোদ পড়ে।
ঝুরঝুরে, পানি নিষ্কাশনযোগ্য দোআঁশ মাটির সাথে কিছুটা জৈব সার মিশিয়ে নিন।
বীজ মাটির সামান্য নিচে বপন করে হালকা পানি দিন, বেশি গভীরে পুঁতবেন না।
মাটি ভেজা রাখুন, নিয়মিত রোদ দিন এবং প্রয়োজনে হালকা জৈব সার প্রয়োগ করুন।
গাছ বড় হওয়ার সাথে সাথে ধাপে ধাপে রঙ বদলে বাহারি রঙের মরিচ ফলতে শুরু করবে।
আমাদের এই পণ্যটি সর্বোচ্চ মানের নিশ্চয়তা দিয়ে সরবরাহ করা হয়। প্রতিটি বীজ যত্ন সহকারে বাছাই করা এবং সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করা হয়েছে যাতে সর্বোচ্চ অঙ্কুরোদগম হার নিশ্চিত হয়।
অর্ডার করার পর আমরা আপনাকে কল করে বিস্তারিত জানিয়ে দেব। কোনো সমস্যা হলে যেকোনো সময় আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
সারাদেশে হোম ডেলিভারি চার্জ মাত্র ৫০ টাকা • ক্যাশ অন ডেলিভারি
ছাদ বাগানে লাগিয়েছি, গাছে একসাথে লাল-হলুদ-বেগুনি মরিচ দেখে সবাই অবাক! দেখতেও সুন্দর, রান্নায়ও দিচ্ছি।
বীজের মান খুব ভালো, প্রায় সব বীজই অঙ্কুরিত হয়েছে। অল্প দিনেই গাছ বড় হয়ে ফুল এসেছে।
টবে লাগিয়েছিলাম, যত্ন কম নিলেও গাছ ভালো টিকে গেছে। প্রতিবেশীরাও এখন বীজ চাইছে!